ঘুরে আসুন ঢাকা – কলকাতা – দিল্লী – কাল্কা – সিমলা -কুল্লু – মানালী – দিল্লী -কলকাতা – ঢাকা।

writter- Iqbal Hossain

ঘুরে এলাম কলকাতা,দিল্লী,সিমলা,মানালী,,আমার মোট খরচ হয়েছে ঢাকা টু ঢাকা ট্রাভেল ট্যাক্স সহ প্রায় ২০০০০ বাংলাদেশী টাকা।

একটু বিলাশী ট্যুর ছিল আমার জন্য তাই খরচ একটু বেশী হয়েছে,আবার কিছু কষ্ট ও সজ্যহ করতে হয়েছে । তবে যে কেউ এই ট্যুর আরো অনেক কমে দিতে পারবেন।
আমার র‍্যুট ছিলো : ঢাকা – কলকাতা – দিল্লী – কাল্কা – সিমলা -কুল্লু – মানালী – দিল্লী -কলকাতা – ঢাকা।
আমি কিছুদিন আগে গতকালের সিমলা ও আজকের সোলাং ভ্যালী নিয়ে ২ টা পোস্ট করেছিলাম তাতে অনেকে ডিটেইলস জানতে চেয়েছে,


আমি লেখালেখি করি না,তাই ভুল হলে মাফ চেয়ে নিচ্ছি,এবং সংক্ষেপে ডিটেইলস দিচ্ছি।
আমার ট্যুর এর সময়কাল ছিলো ৪তারিখ থেকে ১৫ তারিখ।
প্রথমে সোনালী ব্যাংক থেকে ৫০০ টাকা ট্রাভেল ট্যাক্স দেই,ফেরিঘাট জ্যাম এরানোর জন্য ৪তারিখ রাতের ৪৫৫ টাকা দিয়ে চিত্রা এক্সপ্রেস এর ঢাকা টু যশোর এর টিকিট কাটি। ৫ তারিখ যশোর নামি রাত ৪.৩০ এ, স্টেশন এর বাইরেই বেনাপোল এর প্রথম ট্রিপ এর একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে, ৫.৩০ এ ছারে। ৬.৩০ এর মধ্যে বেনাপোল। ইমিগ্রেশন পার হয়ে এবার রুপির হিসাব শুরু – ৩০ রুপি অটো ভাড়া দিয়ে বনগাঁ স্টেশন যাই, ওখান থেকে ১৫ রুপির টিকিট কেটে দমদম স্টেশন যাই, টারপর দমদম থেকে মেট্রো তে করে ১০ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড বা ধর্মতলা যাই । ওখান থেকে ৬ রুপি বাস ভাড়া দিয়ে সরাসরি চলে যাই ফেয়ারলী প্লেস। যেখানে বিদেশী কোটায় টিকিট করা যায়। ওই দিনেরই কলকাতা টু দিল্লী দুরন্ত এসি এক্সপ্রেস এর সন্ধ্যা ৬.৩০ এর টিকিট করি, আবার দিল্লী টু কলকাতা ফেরত আসার ১৪ তারিখ এর রাজধানী এক্সপ্রেস এর টিকিট ও করে রাখি,,এটা আপনি দিল্লী থেকেও করতে পারবেন,,আমি কলকাতা থেকে করেছি আমার ব্যাক্তিগত স্বভাবের কারনে,,নইলে আসতে মন চাইবে না,,আরো থেকে যাবো।

টিকিট এ মোট আসা যাওয়া মিলিয়ে ৫৫০০ রুপির মত যায়, এই টিকিট এ খাবার সহ দাম রাখা হয়,,কম্বল,বালিশ সবই এ দেয়া হয়। ট্রেন কুয়াশার জন্য দিল্লী পৌছাতে ১০ ঘন্টা দেরি করে,৬ তারিখ রাত ১০ টায় দিল্লী নামায়,ওখান থেকে সরাসরি পাহারগঞ্জ চলে যাই, ৫০০ রুপি দিয়ে হোটেল নেই। হোটেল এ ফ্রেশ হয়ে আবার আসি স্টেশন,বিদেশী কোটায় ৭ তারিখ সকালের দিল্লী টু কাল্কা শতাব্দী এক্সপ্রেস এর টিকিট করি ৮০০ রুপি,ফুল এসি,,সকালের নাস্তা সহ এই দাম। ৭ তারিখ দুপুরে কাল্কা পৌছাই, স্টেশন এর পাসেই টয় ট্রেন,উঠে বসি,,সিমলাতে অতিরিক্ত বরফ পড়ার কারনে টয় ট্রেন তিনবার বাতিল হয়,, আমার ৫০ রুপি আর ফেরত পেলাম না,তারপর আরো ২ টা গ্রুপ এর সাথে ৪২০০ রুপি দিয়ে জিপ রিজার্ভ করি মোট ৯ জন হই আমরা,,আমার ভাগে ৪৬৬ রুপি পরেছিলো।

অতিরিক্ত স্নোফল র ভারী বরফ এর জন্য পুরো কাল্কা টু সিমলা রোড এ গাড়ী ধিরগতিতে চলে,,আর জ্যাম এর কারনে পৌছাতে পৌছাতে রাত ১.৩০,,তাও গারি ৬-৭কি মি,আগে ছেরে দেয়,,বরফের কারনে গাড়ি আর যেতে পারছিলো না,,তাপমাত্রা -২, রাতের অন্ধকারে নরম বরফে ভুলে পা রাখলে হাটু পর্যন্ত দেবে যায়,, তবে সে এক অন্য ফিলিংস।

আমাদের হোটেল বুক ছিলো না,,অচেনা শহর, তার মধ্যে পুরো সিমলাতে ২ দিন ধরে কারেন্ট নেই,,আমার জীবনে মাইনাস তাপমাত্রায় এমন একটি রাত পার করতে হবে কল্পনাও করি নি,,মল রোড এ গিয়ে দেখি আমাদের মত আরো শত শত মানুষ,, হোটেল বুকিং দিয়ে এসেও তাদের লাভ হয় নি,আগের কোন ট্যুরিস্ট গাড়ি সিমলা থেকে না চলার কারনে সিমলা ছারতে পারে নি,,কোন হোটেল এ খালি নেই,,আমি অনেকগুলো হোটেল এ অনেক বিফল চেষ্টা চালাই,,যাদের গাড়ি আছে তারা গাড়ীতেই ঘুমানোর প্রস্তুতি নেয়,,কিন্তু আমার তো গাড়ি নেই,,আমি কি করবো এতো ঠান্ডায়,,শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া করছি,,আল্লাহ আজকে রাত টা যাতে বেচে থাকতে পারি।

পুরো বাটে পরে গেছি,,না সামনে আগাতে পারি,,না পেছোনে যেতে পারি, একটি গ্যারাজ এর সিঁড়ীর কোনায় যায়গা করে নেই,,আল্লাহর রহমতে কোনরকমে রাতটা পার করি। সকালে ভাবলাম হোটেল তো খালি নেই চলে যাই,, যাবো মানালী,তাও রাস্তা বন্ধ,,মনটা একেবারে ভেংগে গেছে। ভাবলাম দিল্লীই চলে যাই,, তারপর শেষ চেষ্টা করে,,আরও ১০-১৫ টা হোটেল এ যাই, কোথাও রুম খালি নেই,,একটি ভালো মানের হোটেল পাই, তারা বলে কেই চেক আউট করলে রুম দেয়া যাবে,,তারপর ১১ টা বাজে রুম দেয় তারা,,কিন্তু বলে রুম সুপার ডিলাক্স ভাড়া ৩০০০রুপি,,আর শুধু ডিলাক্স নিলে ২৫০০ রুপি,,আমরা ভিউ ভালো দেখার জন্য ৩০০০ রুপি দিয়েই রুম নেই,,রুম আসোলেই সুপার ডিলাক্স।

ওইখানের স্থানীয় একজন বল্লো ১৯৯০ এর পর নাকি এত টানা স্নোফল নাকি এই ২০১৭ তে হল,,সিমলা এত সুন্দর লাগছিলো যা কল্পনারো বাইরে। ৮ তারিখ সিমলাতেই থাকি,,৯ তারিখ সকাল ১০ টায় হোটেল থেকে বের হই,পুরাতন বাস স্টান্ড থেকে ১৫ রুপি দিয়ে নতুন বাস স্টান্ড যাই,,মানালীর জন্য সরকারী বাস এ উঠি,,সিমলা টু মানালী কোন ভলভো নাকি চলে না,সরকারী বাস ও ভালো,,একদম ড্রাইভার এর পাসের সিট এ বসি,,ভিউ দেখার জন্য,,আহ এত ভালো লেগেছিলো,,কুল্লু পৌছাতে সন্ধ্যা ৬ টা বেজে যায়,, অইদিন আর মানালী যাই নি,,কুল্লু তেই ৬০০ রুপি দিয়ে হোটেল নেই। ১০ তারিখ সকালে কুল্লু থেকে মানালী জাই,মাত্র ১ ঘন্টা লাগে, ৪০ রুপি ভাড়া,, মানালী তে হোটেল নেই ৪০০রুপি ভাড়া,, ব্লোয়ার এর খরচ আলাদা ৩৫০ রুপি,,মোট ৭৫০ রুপি,ব্লোয়ার রুম গরম রাখে,,কিন্তু -১১ ডিগ্রি তাপমাত্রা কি আর ব্লোয়ার মানে,,১০তারিখ মানালী শহর ঘুরি আর কেনাকাটা করি,,১১ তারিখ বিকেল ৪.৩০ এর টিকিটও করে রাখি মানালী টু দিল্লী,১১৫০ রুপি নিয়েছিলো। ১১ তারিখ সকালে ২০০০ টাকা দিয়ে জিপ ভাড়া করি সোলাং ভ্যালী যাবার জন্য,,সোলাং ভ্যালী দেখে মনে হলো পুরো ট্যুর এর টাকা উসুল হয়ে গেছে । এত সুন্দর,,সুবহানআল্লাহ। তারপর কিছুখন ঘুরি বিয়াস নদী,, আরেকটি সূন্দরতম স্থান।

hotel manali queen

৩ টা বাজে হোটেল থেকে চেক আউট করি,২০০রুপি অতিরিক্ত দিতে হয়েছিলো,,আগেই কথা বলে নিয়েছি,,১১ তারিখ ৪.৩০ এর ভলভো তে উঠি,,১২ তারিখ ভোর ৬ টায় দিল্লী পৌছাই,৬.৩০ এ দিল্লীর সেই আগের হোটেল এ যাই,, ৫০০ রুপি ভাড়া,,পরের দিন আগ্রা যাবার কথা ছিলো তাজমহল দেখার জন্য,,যদি ও আমি আগেও তাজমহল দেখেছি,,কিন্তু আমার সাথে যে বন্ধু ছিল সে দেখেনি তাই,,কিন্তু তার দুর্ভাগ্য পরের দিন ১৩ তারিখ শুক্রবার তাজমহল বন্ধ,,তাই আর দেরি না করে সাথে সাথেই দিল্লী স্টেশন এ গিয়ে ১৪ তারিখের রিটার্ন টিকেট অইদিন ই ১২ তারিখ এর ই করে ফেলি,,,৭.৩০ এর দুরন্ত ৪ ঘন্টা লেটে ১১.৩০ এ ছেড়েছে, পরের দিন ১৩ তারিখ সন্ধায় কলকাতা পৌছাই,,৬০০ রুপি দিয়ে নিউমার্কেট এর পাশে হোটেল নেই,,১৪ তারিখ পুরোটা ঘুমাই আর কেনাকাটা করি,,১৫ তারিখ ভোর ৬.৩০ এর বাসে চড়ে ২৮০ রুপি ভাড়া দিয়ে বর্ডার এ যাই,, ইমিগ্রেশন পার হয়ে ৫৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে ঢাকা আসি। কলকাতায় দুইদিন থাকি ১২০০ রুপি ভাড়া লেগেছে।

আমরা ২ জন ছিলাম তাই হোটেল ভাড়া আমার আর অর ভাগে আধা আধা পরেছিলো,,খাবার এ আমাদের প্রচুর টাকা গিয়েছে,,খেয়ে নয় খাবার বেশির ভাগ নস্ট করে,, ওদের খাবার খাওয়া একটু কষ্টকর ছিলো আমাদের দুইজনের জন্য,,টাই খাবারে টাকা একটু বেশী গিয়েছে,,কখনো বেশী কখনো কম,,যাই খাবেন দাম জিজ্ঞেস করে খাবেন,আমাদের কলকাতা থেকে আবার কলকাতা আসা পরজন্ত ১৫৫০০ রুপির মত খরচ হয়েছে।

শুভ হোক আপনাদের যাত্রা।
আবারো বলছি,লেখায় ভুল হলে মাফ চেয়ে নিচ্ছি।

ঘুরবো চাঁদপুরের মোহনাতে, ফিরবো জ্যোৎস্না রাতে

 আসছে ৬ই অক্টোবর শুক্রবার আমরা ইলিশ মাছের অন্যতম প্রধান অঞ্চল হিসেবে খ্যাত চাঁদপুর একটি ডে ট্রিপ দিতে চাই।
আর ওই দিন রাতে যেহেতু পূর্ণিমার রাত। পূর্ণিমা দেখার জন্য খোলা নদীর চেয়ে ভালো আর কিছু নেই! আর তাই আমরা পূর্ণিমা উপভোগ করতে করতে ঢাকায় ফিরবো।

# ভ্রমণ সূচী #
আমরা সবাই ৬ই অক্টোবর সকাল ৬.৫০ এর মধ্যে সদরঘাট থাকবো। ঠিক ৭ টায় লঞ্চ ছাড়বে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে। আমরা লঞ্চের ডেকে যাবো।
এরপরে শুরু হবে আড্ডাবাজি , হয় হুল্লোড় আর গানের আসর। সকালের নাস্তাটা সেড়ে নিবো লঞ্চেই। চাঁদপুর এর উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছাড়ার পর আমাদের পোঁছাতে ১১টা বাজবে ।
লঞ্চ থেকে নেমে আমরা একটা চা বিরতি নিয়ে চলে যাবো চাদপুরের পর্যটন প্লেস ‘হাসান আলীর মাঠ অঙ্গীকার ভাস্কর্য’। এখান থেকে আমরা
নৌকা নিয়ে আবার মেঘনার দোল খেতে চলে যাবো নদীর মাঝে। ফিরে এসে নদীতে দাপাদাপি-ঝাপাঝাপি করে আমরা চাঁদপুর শহরে ফিরবো দুপুরের খাবার খেতে। মনে রাখবেন যারা সাঁতার জানেন না তারা বেশি সাহসিকতা দেখতে গিয়ে ধরা খেলে বিচার হিসেবে সবাইকে মিষ্টি খাওয়াতে হবে কিন্তু।
দুপুরের খাওয়া শেষে যাবো কালিবাড়ির বিখ্যাত ওয়ান মিনিট আইসক্রিম খেতে। এরপর হাতে সময় থাকলে গাছতলা ব্রিজ আর বড় স্টেশনেও সময় কাটিয়ে ঠিক ৫টার লঞ্চে আমরা ব্যাক করবো ঢাকা। সন্ধ্যার পরেই রাত শুরু হতে হতে শুরু হয়ে যাবে আমাদের ফিরতি আড্ডা এবং চা চক্র। আশা করি রাত ৯-১০ টার মধ্যে সদরঘাট পৌছে আমাদের ভ্রমণের সমাপ্তি হবে।

খরচ : ১০০০ টাকা জনপ্রতি। আমরা সর্বোচ্চ ২০ জন নিবো। তাই অতি স্বত্ত্বর নিজের আসন বুকিং করে নিন। সিট বুকিং করতে বিকাশ করবেন ৫১০ .টাকা। বুকিং এর শেষ সময় ২ অক্টোবর।
বিকাশ করবেনঃ ০১৭১১২০৪১৫৫ (পার্সোনাল)
বিকাশ করে অবশ্যই এসএমএস করে আপনার নামটা জানিয়ে দিবেন

# এই খরচের মধ্যে যা থাকছে #
==============================
লঞ্চে যাওয়া আসা সহ চাদপুরের সকল যানবাহন খরচ।
সকালের নাস্তা,
দুপুরের খাবার,
ওয়ান মিনিটের আইসক্রিম
যাওয়া এবং আসার পথে দুটি চা বিরতি

# যা পাবেন না #
=====================
উল্লেখিত বিষয়ের বাইরে যে কোন ব্যক্তিগত খরচ।

# কি কি নিবেনঃ #
===============
১; সবার আগে প্রয়োজন ভ্রমনের জন্য সুন্দর একটি মন।
২; গোসল করার সামগ্রী (লুঙ্গি ও গামছা)
৩; মেয়েদের প্রয়োজনীয় কাপড় যা গোসল করতে প্রয়োজন।
৪; সাবান, শ্যাম্পু, গামছা, সানক্রিম।
৫. পাওয়ার ব্যাংক

# কিছু নিয়ম মনে রাখবেন #
==============================
> ভ্রমন চলাকালীন যেকোন সমস্যা সকলে মিলে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
> সকল নিয়ম কানুন অবশ্যই মেনে চলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই অংশগ্রহন করবেন।
> অতিরিক্ত দু:সাহসিকতা দেখানো যাবেনা।
> পরিবেশ নষ্ট হয় অথবা অপচনশীল বস্তু ভ্রমন স্থানে ফেলে আসা যাবে না, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।
> দলছাড়া হয়ে ঘুরা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে দলকে জানিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
> মহিলা ও অসুস্থদের অগ্রাধিকার দেওয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে।
>ধূমপান আড়ালে করতে হবে যাতে অধূমপায়ীদের কোন অসুবিধা না হয়।
> গাজা-মদ বা কোন মাদকের কোন সুযোগ নাই। ধরা পড়লে অপমান করে বিদায় করা হবে।
> কোন রকম অশালীন বা বিব্রতকর আচরণ করা যাবেনা।
> পারষ্পরিক সন্মান ও ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে।

# যোগাযোগ #
==========
R.K. Jan – 01922933019
taskin al anas – 01842827546

১৪৯৯ টাকায় ময়মনসিংহের ৮টি বিখ্যাত স্থান

আমাদের Day Trip এর এই ৪র্থ ট্যুরে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। আসছে ২০ই অক্টোবর শুক্রবার আমরা যাচ্ছি বাংলাদেশের প্রাচীন জেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম ময়মমনসিংহ।

# ভ্রমণ সূচী #
আমরা সবাই ২০ই অক্টোবর সকাল সাড়ে ৭ টার মধ্যে আমাদের রিজার্ভ মাইক্রোবাসে তুলে আমরা রওনা দিবো ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে। মাঝে সেড়ে নিবো সকালের নাস্তা। চলবে আড্ডাবাজি আর গানের আসর। আমাদের পোঁছাতে ১১টা বাজবে ।

এরপর আমরা ঘুরবো
========================
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি
শশী লজ
আলেকজান্ডার ক্যাসেল
গৌরীপুর লজ
জয়নুল পার্ক ও ব্রহ্মপুত্র
জয়নুল সংগ্রহশালা
আনন্দ মোহন কলেজ

খরচ
========================
১৪৯৯ টাকা জনপ্রতি। আমরা সর্বোচ্চ ১২ জন নিবো। তাই অতি স্বত্ত্বর নিজের আসন বুকিং করে নিন। সিট বুকিং করতে বিকাশ করবেন ৫১০ .টাকা। বুকিং এর শেষ সময় ১৮ অক্টোবর দুপুর ১২টার মধ্যে।

# এই খরচের মধ্যে যা থাকছে #
==============================
রিজার্ভ মাইক্রোবাসে যাওয়া আসাসহ সকল যাতায়াত খরচ
ট্রিপের অন্তর্ভুক্ত স্থানসমুহে প্রবেশ ফি
সকালের নাস্তা
দুপুরের খাবার
মুক্তাগাছার মন্ডা
ফার্স্ট এইড বক্স
এবং সার্বক্ষণিক বিশুদ্ধ খাবার পানি

# যা পাবেন না #
=====================
উল্লেখিত বিষয়ের বাইরে যে কোন ব্যক্তিগত খরচ।

# কি কি নিবেনঃ #
===============
১; সবার আগে প্রয়োজন ভ্রমনের জন্য সুন্দর একটি মন।
২; গোসল করার সামগ্রী (লুঙ্গি ও গামছা)
৩; মেয়েদের প্রয়োজনীয় কাপড় যা গোসল করতে প্রয়োজন।
৪; সাবান, শ্যাম্পু, গামছা, সানক্রিম।
৫. পাওয়ার ব্যাংক

# কিছু নিয়ম মনে রাখবেন #
==============================
> ভ্রমন চলাকালীন যেকোন সমস্যা সকলে মিলে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
> সকল নিয়ম কানুন অবশ্যই মেনে চলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই অংশগ্রহন করবেন।
> অতিরিক্ত দু:সাহসিকতা দেখানো যাবেনা।
> পরিবেশ নষ্ট হয় অথবা অপচনশীল বস্তু ভ্রমন স্থানে ফেলে আসা যাবে না, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।
> দলছাড়া হয়ে ঘুরা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে দলকে জানিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
> মহিলা ও অসুস্থদের অগ্রাধিকার দেওয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে।
>ধূমপান আড়ালে করতে হবে যাতে অধূমপায়ীদের কোন অসুবিধা না হয়।
> গাজা-মদ বা কোন মাদকের কোন সুযোগ নাই। ধরা পড়লে অপমান করে বিদায় করা হবে।
> কোন রকম অশালীন বা বিব্রতকর আচরণ করা যাবেনা।
> পারষ্পরিক সন্মান ও ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে।


# যোগাযোগ #
==========
R.K. Jan – ০১৯২২৯৩৩০১৯
Taskin Al Anas– 01842827546 (bkash)

 

একদিনে পাঁচ জমিদার বাড়ি

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য Day Trip এ মাত্র ১১৯৯ টাকায় ঘুরবো ৫টি জমিদার বাড়ি। এটা একটা পরিপূর্ণ Day Trip পরিকল্পনা। যেহেতু রিজার্ভ মাইক্রোবাসে যাবো, সিট মাত্র ১০টি।
৩ নভেম্বর শুক্রবার ঢাকার অদূরেই টাঙ্গাইল থেকে শুরু হবে আমাদের যাত্রা, শেষ জমিদার বাড়িটি আছে মানিকগঞ্জে। সেখান থেকে সন্ধ্যায় আমরা ঢাকায় ফিরবো। চাইলে মেয়েরাও অংশ নিতে পারেন..

▐█▌▌▌ আসন সংখ্যা ১০, চাইলেই আপনার বন্ধু বান্ধব কিংবা পরিবার নিয়ে স্বল্প খরচে ঘুরে আসতে পারেন▐▐▐█▌
আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে মাইক্রো বাসের সিট বরাদ্দ করা হবে….
▐▐ আমরা ঘুরে বেড়াবোঃ
১/= মহেড়া জমিদারবাড়ি
২/= করটিয়া জমিদারবাড়ি
৩/= দেলদুয়ার জমিদারবাড়ি
৪/= পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি
৫/= বালিয়াটি জমিদারবাড়ি


▐▐ খরচ মাত্র-১১৯৯টাকা
বিকাশে বুকিং ২৫৫ টাকা, কনফার্ম করতে হবে বিকাশে। 

Taskin Al Anas -01842827546( bkash)

service number :

01-97-98-99-133

▐▐ এই খরচের মধ্যে যা থাকছে
রিজার্ভ মাইক্রোবাসে করে আসা যাওয়া
সকালের নাস্তা,
দুপুরের খাবার,
বিকেলে চা নাস্তা…
সকল জমিদার বাড়িতে প্রবেশ ফি

▐▐ যা পাবেন না
উল্লেখিত বিষয়ের বাইরে যে কোন ব্যক্তিগত খরচ।

 

▐▐ কি কি নিবেনঃ
১; সবার আগে প্রয়োজন ভ্রমনের জন্য সুন্দর একটি মন।
২; ছেলেরা যদি গোসল করেন, তাহলে গোসল করার সামগ্রী (লুঙ্গি ও গামছা)
৩; মেয়েদেরটা একটু টাফ হবে, তবে চাইলে প্রয়োজনীয় কাপড় যা গোসল করতে প্রয়োজন।
৪; সাবান, শ্যাম্পু, গামছা, সানক্রিম।
৫. পাওয়ার ব্যাংক (একটু বিশেষভাবে নিবেন)

▐▐
কিছু নিয়ম মনে রাখবেন
> ভ্রমন চলাকালীন যেকোন সমস্যা সকলে মিলে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
> সকল নিয়ম কানুন অবশ্যই মেনে চলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই অংশগ্রহন করবেন।
> অতিরিক্ত দু:সাহসিকতা দেখানো যাবেনা।
> পরিবেশ নষ্ট হয় অথবা অপচনশীল বস্তু ভ্রমন স্থানে ফেলে আসা যাবে না, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।
> দলছাড়া হয়ে ঘুরা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে দলকে জানিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
> মহিলা ও অসুস্থদের অগ্রাধিকার দেওয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে।
>ধূমপান আড়ালে করতে হবে যাতে অধূমপায়ীদের কোন অসুবিধা না হয়।
> গাজা-মদ বা কোন মাদকের কোন সুযোগ নাই। ধরা পড়লে অপমান করে বিদায় করা হবে।
> কোন রকম অশালীন বা বিব্রতকর আচরণ করা যাবেনা।
> পারষ্পরিক সন্মান ও ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে।

প্রথমেই বলে রাখি, আমাদের যাত্রা শুরু হবে সকাল ৭ টায়। তারপর গাড়ি আশুলিয়া, বাইপাইল হয়ে চলে যাবে টাঙ্গাইলের দিকে। কেউ চাইলে এই রাস্তা থেকেও আমরা তুলে নিতে পারবো।
প্রথমেই চলে যাবো করটিয়া জমিদারবাড়িতে। এখানে ঢোকার সাথে সাথেই শরীর মন শীতল হয়ে যাবে। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এটাই হবে। এতসুন্দর, পরিচ্ছন্ন আর গোছানো পরিবেশ আপনি লাস্ট কবে দেখেছিলেন মনে করতে পারবেন না। সদর দরজা দিয়ে ঢুকেই লাল রঙ এর প্রাসাদের সৌন্দর্যে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। তবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। কারণ এখানে মানুষ বাস করে। বাড়ির পিছনে বিশাল পুকুর। পুকুর পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গেলে পাবেন বিশাল আকারের আরেকটা পুকুর। সেই পুকুরের অপরপার্শে রয়েছে অন্দরমহল। যা এখন স্কুল হিসেবে ব্যাবহৃত হয়। আমরা যেদিন যাবো, সেদিন শুক্রবার হওয়ায় স্কুল ছুটি থাকবে। আর এই সুযোগে আমরা পুরো ভবনের ভেতর থেকে বাহির পর্যন্ত ঘুরে দেখেছি। সেখানে ঘন্টা খানেক থেকে বেড়িয়ে পড়বো মহেড়া জমিদারবাড়ির উদ্দেশ্যে। এখানকার পুরো পরিবেশটা অসাধারণ। যেহেতু জমিদারবাড়িটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে ব্যাবহৃত হয়, তাই মনে রাখতে হবে এর বেশিরভাগ জায়গাই সংরক্ষিত। তাই আপনি চাইলেই যেখানে সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন না?। এখানে আমরা ১ ঘন্টা ঘুরে বেড় হয়ে দেলদুয়ারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো । .

দেলদুয়ার জমিদারবাড়ি পৌছাতে প্রায় আধাঘণ্টা থেকে চল্লিশ মিনিট সময় লাগবে। দেলদুয়ার বাজারে পৌছে দুপুরের খাবার খেয়ে নিবো। তারপরে হেটে জমিদারবাড়িরর দিকে চলে যাবো। কারণ হাটা পথ ৫মিনিট। অন্যান্য জমিদারবাড়ির তুলনায় অনেক ছোট হলেও সৌন্দর্যের কোন কমতি নেই। ফটোসেশন আর ঘুরে দেখতে ২০-২৫ মিনিটই যথেষ্ট। সেখান থেকে বেড়িয়ে আবার যাত্রা শুরু।
লক্ষ এবার পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি। সময় লাগবে ৪০-৬০ মিনিট। পাকুটিয়া জমিদার বাড়িটার কয়েকটা ভবন। কোনটা কি ভবন বোঝা মুশকিল। এই ভবনগুলি অনেক পুরাতন। তবে পরিত্যক্ত ভবনের ভিতর-উপর সব ঘুরে দেখতে পারবেন। এখানে আধাঘণ্টা ঘুরে ফটোসেশন শেষ করে এবারের শেষ গন্তব্য হবে মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ি।
.
বালিয়াটি নিয়ে আসলে আমার কিছু বলার নেই। কারণ যাই বলবো, এর সৌন্দর্য বর্ণনা করা সম্ভব না। এটাকে জমিদারবাড়ি না বলে রাজপ্রাসাদ বললেই বেশি ভালো হতো। বালিয়াটিতে থাকবো সন্ধ্যা পর্যন্ত। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে জমিদারবাড়ির মূলফটকের সামনেই এক চাচা পিয়াজু বানায়। তার পিয়াজু আর চা খেয়ে আবার চিরচেনা শহর ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।

একদিনে বিজয় সিংহ দিঘি, গুলিয়াখালি সী বিচ দর্শনও মহামায়ায় কায়াকিং

ইট কাঠের শহুরে জীবনে ছোট অবসরে মাত্র একদিনেই ঘুরে আসতে পারেন লেক, সবুজ সৈকত আর গাছপালায় ঘেরা দীঘি। সকালে মহামায়া লেকে কায়াকিং অ্যাডভেঞ্চার, এরপর গুলিয়াখালির সবুজ প্রকৃতিতে সমুদ্র দর্শন আর শেষ বিকেলে ফেনীর অপূর্ব সুন্দর বিজয়সিংহ দীঘিতে আড্ডা। আর যদি চলতি পথে হলুদ শর্ষে রাজ্য পেয়ে যাই তাহলে মিস হবেনা সেটাও। আগামি ২৬ শে জানুয়ারি এমন একটা দিন কাটাতে আগ্রহী হলে যোগ দিতে পারেন আমাদের সাথে।
তারিখ: ২৬ শে জানুয়ারি শুক্রবার (ডে লং ট্রিপ)
সময়:সকাল ৬.০০ থেকে রাত ৯.০০ টা
?️?️?️
যা যা পাচ্ছেন এই ভ্রমনে…
?এসি গাড়িতে আপ এবং ডাউন

? সকালের নাস্তা ও স্নাক্সস

?দুপুরের খাবার

☕বিকালের নাস্তা

টি শার্ট
কায়াকিং

প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে পরিশোধ করতে হবে

?মাত্র ১৭৫০ টাকা।


বুকিং শেষ সময় ১৭ ই জানুয়ারী ।

আসন সংখ্যা ১০ । ছিমছাম একটা ট্যুর প্রিয় মানুষের সাথে

বিকাশ করে ১০০০ টাকা এডভান্স করতে হবে,
বিকাশ চার্জ ২০ টাকা প্রযোজ্য
রেফারেন্স এ STD 1 লিখে নিজের নাম লিখুন। ট্রানজেকশন আইডিটি আমাদের পাঠিয়ে আপনার বুকিং কনফার্ম করুন ।
ব্যাঙ্ক পেমেন্ট করতে চাইলে কাইন্ডলি ইনবক্স করুন। আমরা আপনাকে ব্যাংক একাউন্ট ডিটেইল পাঠাবো ।

যে কোন প্রয়োজনে – ০১-৯৭-৯৮-৯৯-১৩৩