একদিনে পাঁচ জমিদার বাড়ি

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য Day Trip এ মাত্র ১১৯৯ টাকায় ঘুরবো ৫টি জমিদার বাড়ি। এটা একটা পরিপূর্ণ Day Trip পরিকল্পনা। যেহেতু রিজার্ভ মাইক্রোবাসে যাবো, সিট মাত্র ১০টি।
৩ নভেম্বর শুক্রবার ঢাকার অদূরেই টাঙ্গাইল থেকে শুরু হবে আমাদের যাত্রা, শেষ জমিদার বাড়িটি আছে মানিকগঞ্জে। সেখান থেকে সন্ধ্যায় আমরা ঢাকায় ফিরবো। চাইলে মেয়েরাও অংশ নিতে পারেন..

▐█▌▌▌ আসন সংখ্যা ১০, চাইলেই আপনার বন্ধু বান্ধব কিংবা পরিবার নিয়ে স্বল্প খরচে ঘুরে আসতে পারেন▐▐▐█▌
আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে মাইক্রো বাসের সিট বরাদ্দ করা হবে….
▐▐ আমরা ঘুরে বেড়াবোঃ
১/= মহেড়া জমিদারবাড়ি
২/= করটিয়া জমিদারবাড়ি
৩/= দেলদুয়ার জমিদারবাড়ি
৪/= পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি
৫/= বালিয়াটি জমিদারবাড়ি


▐▐ খরচ মাত্র-১১৯৯টাকা
বিকাশে বুকিং ২৫৫ টাকা, কনফার্ম করতে হবে বিকাশে। 

Taskin Al Anas -01842827546( bkash)

service number :

01-97-98-99-133

▐▐ এই খরচের মধ্যে যা থাকছে
রিজার্ভ মাইক্রোবাসে করে আসা যাওয়া
সকালের নাস্তা,
দুপুরের খাবার,
বিকেলে চা নাস্তা…
সকল জমিদার বাড়িতে প্রবেশ ফি

▐▐ যা পাবেন না
উল্লেখিত বিষয়ের বাইরে যে কোন ব্যক্তিগত খরচ।

 

▐▐ কি কি নিবেনঃ
১; সবার আগে প্রয়োজন ভ্রমনের জন্য সুন্দর একটি মন।
২; ছেলেরা যদি গোসল করেন, তাহলে গোসল করার সামগ্রী (লুঙ্গি ও গামছা)
৩; মেয়েদেরটা একটু টাফ হবে, তবে চাইলে প্রয়োজনীয় কাপড় যা গোসল করতে প্রয়োজন।
৪; সাবান, শ্যাম্পু, গামছা, সানক্রিম।
৫. পাওয়ার ব্যাংক (একটু বিশেষভাবে নিবেন)

▐▐
কিছু নিয়ম মনে রাখবেন
> ভ্রমন চলাকালীন যেকোন সমস্যা সকলে মিলে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
> সকল নিয়ম কানুন অবশ্যই মেনে চলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই অংশগ্রহন করবেন।
> অতিরিক্ত দু:সাহসিকতা দেখানো যাবেনা।
> পরিবেশ নষ্ট হয় অথবা অপচনশীল বস্তু ভ্রমন স্থানে ফেলে আসা যাবে না, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।
> দলছাড়া হয়ে ঘুরা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে দলকে জানিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
> মহিলা ও অসুস্থদের অগ্রাধিকার দেওয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে।
>ধূমপান আড়ালে করতে হবে যাতে অধূমপায়ীদের কোন অসুবিধা না হয়।
> গাজা-মদ বা কোন মাদকের কোন সুযোগ নাই। ধরা পড়লে অপমান করে বিদায় করা হবে।
> কোন রকম অশালীন বা বিব্রতকর আচরণ করা যাবেনা।
> পারষ্পরিক সন্মান ও ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে।

প্রথমেই বলে রাখি, আমাদের যাত্রা শুরু হবে সকাল ৭ টায়। তারপর গাড়ি আশুলিয়া, বাইপাইল হয়ে চলে যাবে টাঙ্গাইলের দিকে। কেউ চাইলে এই রাস্তা থেকেও আমরা তুলে নিতে পারবো।
প্রথমেই চলে যাবো করটিয়া জমিদারবাড়িতে। এখানে ঢোকার সাথে সাথেই শরীর মন শীতল হয়ে যাবে। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এটাই হবে। এতসুন্দর, পরিচ্ছন্ন আর গোছানো পরিবেশ আপনি লাস্ট কবে দেখেছিলেন মনে করতে পারবেন না। সদর দরজা দিয়ে ঢুকেই লাল রঙ এর প্রাসাদের সৌন্দর্যে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। তবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। কারণ এখানে মানুষ বাস করে। বাড়ির পিছনে বিশাল পুকুর। পুকুর পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গেলে পাবেন বিশাল আকারের আরেকটা পুকুর। সেই পুকুরের অপরপার্শে রয়েছে অন্দরমহল। যা এখন স্কুল হিসেবে ব্যাবহৃত হয়। আমরা যেদিন যাবো, সেদিন শুক্রবার হওয়ায় স্কুল ছুটি থাকবে। আর এই সুযোগে আমরা পুরো ভবনের ভেতর থেকে বাহির পর্যন্ত ঘুরে দেখেছি। সেখানে ঘন্টা খানেক থেকে বেড়িয়ে পড়বো মহেড়া জমিদারবাড়ির উদ্দেশ্যে। এখানকার পুরো পরিবেশটা অসাধারণ। যেহেতু জমিদারবাড়িটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে ব্যাবহৃত হয়, তাই মনে রাখতে হবে এর বেশিরভাগ জায়গাই সংরক্ষিত। তাই আপনি চাইলেই যেখানে সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন না?। এখানে আমরা ১ ঘন্টা ঘুরে বেড় হয়ে দেলদুয়ারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো । .

দেলদুয়ার জমিদারবাড়ি পৌছাতে প্রায় আধাঘণ্টা থেকে চল্লিশ মিনিট সময় লাগবে। দেলদুয়ার বাজারে পৌছে দুপুরের খাবার খেয়ে নিবো। তারপরে হেটে জমিদারবাড়িরর দিকে চলে যাবো। কারণ হাটা পথ ৫মিনিট। অন্যান্য জমিদারবাড়ির তুলনায় অনেক ছোট হলেও সৌন্দর্যের কোন কমতি নেই। ফটোসেশন আর ঘুরে দেখতে ২০-২৫ মিনিটই যথেষ্ট। সেখান থেকে বেড়িয়ে আবার যাত্রা শুরু।
লক্ষ এবার পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি। সময় লাগবে ৪০-৬০ মিনিট। পাকুটিয়া জমিদার বাড়িটার কয়েকটা ভবন। কোনটা কি ভবন বোঝা মুশকিল। এই ভবনগুলি অনেক পুরাতন। তবে পরিত্যক্ত ভবনের ভিতর-উপর সব ঘুরে দেখতে পারবেন। এখানে আধাঘণ্টা ঘুরে ফটোসেশন শেষ করে এবারের শেষ গন্তব্য হবে মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ি।
.
বালিয়াটি নিয়ে আসলে আমার কিছু বলার নেই। কারণ যাই বলবো, এর সৌন্দর্য বর্ণনা করা সম্ভব না। এটাকে জমিদারবাড়ি না বলে রাজপ্রাসাদ বললেই বেশি ভালো হতো। বালিয়াটিতে থাকবো সন্ধ্যা পর্যন্ত। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে জমিদারবাড়ির মূলফটকের সামনেই এক চাচা পিয়াজু বানায়। তার পিয়াজু আর চা খেয়ে আবার চিরচেনা শহর ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।

Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *